শামি কাবাব বানানোর রেসিপি

ছোট থাকতে ভাবতাম এই কাবাব টা মনে হয় শুধু স্বামীদের জন্য বানানো হতো! আম্মু কত ভাল সবার জন্য বানায়!!😜 পরে মনে হলো নাহ এই কাবাব মনে হয় স্বামীরা বউদের জন্য বানায়!😨
আসলে শামি কাবাবের ‘শামি’ শব্দটি এসেছে উর্দু “শাম” থেকে, যার অর্থ সন্ধ্যা। এই কাবাবটি মুঘল সম্রাটরা সান্ধ্যকালীন নাস্তায় উপভোগ করতেন তাই এর নাম শামি কাবাব বলে অনেক ইতিহাসবিদরা মনে করেন।

কাবাবের জগতে শামি কাবাব খুব পরিচিত নাম। সুস্বাদু এই কাবাব বানানোও সহজ। পোলাওয়ের সঙ্গে কিংবা নাস্তায় পরিবেশন করতে পারেন এই কাবাব। দেখে নিন বাড়িতে বসে শামি কাবাব বানানোর রেসিপি।

উপকরণ

কিমা তৈরির জন্য
  • গরু বা খাসীর চর্বিবিহীন মাংসের কিমা – ২৫০ গ্রাম
  • পানিতে ভেজানো মসুর ডাল – ৪ টেবিল চামচ
  • জিরা – আধ চা চামচ
  • মৌরি – ১ চা চামচ
  • ধনে – ১ চা চামচ
  • ছোট এলাচ – ২টো
  • শুকনো মরিচ – ৬টা
  • রসুন – ৪ কোয়া
  • হলুদ গুড়া – ১/২ চা চামচ
কাবাবের জন্য
  • সিদ্ধ আলু- ১টা
  • ডিম – ১টা
  • পুদিনা পাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
  • ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
  • কাঁচা মরিচ – ২টা
  • আদা কুচি – ১ চা চামচ
  • জিরা গুঁড়া – আধ চা চামচ
  • ধনে গুঁড়া – আধ চা চামচ
  • পিয়াজ বেরেস্তা – ১ কাপ (হাত দিয়ে ভেঙ্গে গুড়ো করা)
  • তেল – পরিমান মতো
  • লবণ – স্বাদ মত

প্রনালি

  • প্রথমে মাংসের কিমার সাথে মসুর ডাল, জিরা, ধনে, মৌরি, এলাচ, শুকনো মরিচ, আদা কুচি, রসুন, ও পরিমান মত লবন মিশিয়ে, প্রেসার কুকার বা হাড়িতে ২ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন।
  • পানি একদম শুকিয়ে গিয়ে মাংস নরম হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।
  • এখন সব গরম মশলা সহ শিলপাটায় বা ফুড প্রসেসরে মিহি করে বেটে নিন।
  • এবারে বাটা কিমার সাথে আলুসিদ্ধ চটকে মিশিয়ে নিন।
  • এবারে ওই মিশ্রণে ডিম, ধনেপাতা কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, কাঁচামরিচ, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া ভাল করে মিশিয়ে নিন। বেশি শুকনো হলে ডিম আরো ১ টি দিতে পারেন।
  • মিশ্রণ অল্প পরিমানে নিয়ে হাতের চাপে কাবাব আকারে গড়ে নিন। কিছু সময় ডিপ ফ্রিজে রাখুন।
  • ফ্রাইং প্যানে ৩-৪টা কাবাব পাশাপাশি রেখে বাদামি করে ভেজে নিন। দু-পিঠই ভাল করে ভাজবেন।
  • ভাজা হয়ে গেলে কিচেন পেপারের বা টিস্যু পেপারের ওপর রেখে কাবাব থেকে অতিরিক্ত তেল টানিয়ে নিন।
  • কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, পেঁয়াজের রিং ও লেবু দিয়ে গার্নিশ করে পুদিনার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

লিখেছেন – শারমিন ফাতিহা

Leave a Reply