ফ্যাশনেবল পায়ের গহনা

ভেবে দেখেছেন কি সারা শরীরে নানা গয়না দিয়ে সাজার পর বেচারার পা দুটো বড়ই অমনোযোগের শিকার হয়। পায়ে একটু ক্রিম বা নেলপলিশ লাগালেই যেন কাজ সারা। কিন্তু পায়ের যত্ন নিয়ে যদি খানিক গয়নার বাহার চাপিয়ে দেয়া যায়, পায়ের সৌন্দর্য বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের পাশের দুটো আঙ্গুলে চুটক বা টোরিং পরার ফ্যাশন এক সময় দেহাতি বলে নাক সিটকাতেন অনেকেই। স্কার্ট বা ক্যাপ্রির সঙ্গে সিঙ্গেল স্ট্রাইপড চটি বা সামনেটা খোলা সিল্প চটির সঙ্গে আঙ্গুলে এই চুটকি বা টোরিং কিন্তু ভালই ফ্যাশনেবল। আর এ্যাঙ্কলেট দিয়ে কীভাবে পূর্ণ হবে পায়ের সাজ।

এছাড়া সরু চেনের এ্যাঙ্কলেট চিরকালই ফ্যাশনেবল। কিন্তু একটু ভিন্ন ফ্যাশনে যেতে গেলে ঝুঁকতে হবে জাঙ্কের দিকে। গলার মোটা জাঙ্ক নেকপিস পায়ে জড়িয়ে দুই বা তিন পোঁচের এ্যাঙ্কলেট বানাতে পারেন। মিডিয়াম স্কার্টের সঙ্গে বেশ মানাবে। চাম্বা লাম্বা বা এই ধরনের এ্যান্টিক শোরুমে অর্ডার দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন নিজের পছন্দের ডিজাইনে তৈরি পায়ের এই গয়না। শর্টপ্যান্টের সঙ্গে চলুক ফিউশন স্টাইল। লাল-হলুদ শর্টসের ফ্যাশনে বাজারমাত করবে এই মোটা মল।

গয়নার আগে পায়ে সুন্দর নেলপলিশ লাগাতে হবে। এবার আসি সাজের কথায়। পায়ের গয়নায় আমি সব সময় প্রেফার করি এ্যাঙ্কলেট। সেটা যে কোন পায়ে হতে পারে। সিলভার, অক্সিডাইজড, বিডস- যে কোন ধরনের হতে পারে। আবার একই পায়ে অনেকগুলো পরা যেতে পারে।

বিভিন্ন রকমের এ্যাঙ্কলেট, সেগুলো নানা জায়গা থেকে কালেক্ট করা যায়। মনে হয় একটাই গয়না পরেছি। কেউ এক পা খালিও রাখতে পারেন। যেমন পায়ে সুন্দর একটা ট্যাটু থাকলে বেশ মানায়। আবার ইনোভেটিভ কিছুও হতে পারে পায়ের গয়না। যেমন কাপড় দিয়ে এ্যাঙ্কলেট বানিয়ে পরতে পারেন। বিডস বসিয়ে, দড়ি বেঁধে। পুরনো বেনারসির পাড়টা কেটে জড়িয়ে-পেঁচিয়ে নিয়ে এ্যাঙ্কলেট করে পরা যায়। তাতে দুটো নূপুর লাগিয়ে নিন। সবার তাক লেগে যাবে। আবার অনেকে মেহেদি দিয়ে পায়ের সাজ করতে পারেন। মাঝে একটু গ্যাপ রেখে গোঁড়ালির ওপর থেকে দুটো মেহেন্দির স্ট্রিপ করা হলো। তাতে লাগিয়ে দিন কালারফুল স্টোন। ভাবুন তো কী চমৎকার আর ক্রিয়েটিভ লাগবে।

Shop Foot Jewelry – KaruKormo.com

Leave a Reply